ওঙ্কার

শাইলক কথা অমৃত সমান! – হাসান জাফরুল

Post Views33 Total Count
0Shares
হাসান জাফরুল বিপুল

‘‘একি শুনলাম এক কোটি টাকা? আমার অতীতের আছেটা কি মুলো? ভালো করে বললে দেড় মিনিটও লাগবে না। একদিন কুক্ষণে জন্মালাম, চার-পাঁচটা ভাইবোনের সঙ্গে ধাক্কা-গুঁতো খেয়ে বড় হলাম। স্কুল-কলেজে কিছুদিন ঢুঁ মারলাম। চাকরি-বাকরির তালে কিছুদিন জুতোর শুকতলা ভোগে দিলাম অবশেষে বাপের তালে বিয়ে করলাম এবং যথারীতি তিন তিনখান বাচ্চার জন্ম দিলাম। কিন্তু সবশেষে বাচ্চাদের মানুষ করতে গিয়ে রাতদুপুরে হাটেমাঠে ঘুরছি – এই তো আমার অতীত। এর মূল্য এক কোটি টাকা? হোক’’ তাই হোক; যো ওয়াপসে আতা হ্যায় উও হালাল হ্যায়।

[শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার-শাহ্‌যাদ ফিরদাউস]

এটা হচ্ছে শাহ্‌যাদ ফিরদাউসের ‘শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার’ উপন্যাসের অংশবিশেষ। একজন সাধারণ মানুষ অতীত বিক্রি করার কাজটাকে জায়েজ করার জন্য যে যুক্তি উৎপাদন করে তারই বয়ান। নববইয়ের পরে পুঁজির যে অপ্রতিরোধ্য গতি সেই গতি কীভাবে একরৈখিক পৃথিবী গড়ার জন্য সবকিছুকে পণ্যে রূপায়িত করছে তাই গল্পের ছলে ঔপন্যাসিক আমাদের জানিয়ে দেন। মানুষের মন-মগজ, আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, ইতিহাস সবই পণ্য – বিনিময়মূল্য হচ্ছে মানুষের তথাকথিত অর্থনৈতিক স্বাধীনতা – স্বাচ্ছন্দ্য। মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের যে রূপকথা তা থেকে সিকান্দারই-বা বাদ যাবে কেন? আর এই সিকান্দারকেই তার পরিপার্শ্ব নিয়ে ঢাকার মধ্যে এনেছিল থিয়েটারওয়ালা রেপাটরি। চোখের সামনে সিকান্দারকে দেখলাম সে তো আমি, আপনিই, নাকি?

উপন্যাস : শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার

উপন্যাস : শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার

মঞ্চনাটক একজনের কোনো কাজ নয়, দলগত প্রক্রিয়া। কিন্তু রেপাটরি কোনো দল নয় বরং দলসমূহের সমবায়ী প্রচেষ্টা। একেক দল থেকে একেকজনকে নিয়ে একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে কাজটা মঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। মঞ্চের দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন বৃদ্ধি করা, পেশাদারি মনোভাব বাড়ানো, দলগত চেতনার ঊর্ধে ওঠা – এসব রেপাটরি ধারণা মূল চেতনা। ‘শাইলক ও সিকোফ্যান্টস’ নাটকটিতে কাজ করেছে প্রাচ্যনাট, আরণ্যক নাট্যদল, ঐকিক থিয়েটার, থিয়েটার আর্ট ইউনিট, দৃশ্যপটের বিভিন্নজন। তবে এটা উল্লেখ করার বিষয় যে, রেপাটরিতে কাজ করার সময়ও একজন কর্মীর দলীয় পরিচয় মুছে যায় না – দলের একজন হিসেবে, এ প্লাটফর্মে সংশ্লিষ্ট কর্মী অংশগ্রহণ করে থাকে। এটা সত্যি, দল বা গ্রুপের কাজের উৎকর্ষতা না থাকলে হুট করে রেপাটরি করে কাজ উতরানো কঠিন। ‘শাইলক অ্যান্ড সিকোফ্যান্টসে’র নাটকের সাবলীল মঞ্চায়ন ঢাকার মঞ্চের অভ্যন্তরীণ শক্তিকেই নির্দেশ করে। এ নাটকের বিষয় যেমন অতীতচারী নয়, এর উপস্থাপনাও বেশ আকর্ষণীয়। সমকালীন রাজনীতি-অর্থনীতিকে অবলম্বন করে এ নাটক এগিয়েছে। তবে এ নাটকে উপস্থাপিত রাজনীতি ‘বাস্তবতার মোড়কে’ হয়তো আটকে গেছে – সে প্রসঙ্গ ভিন্ন। থিয়েটারওয়ালা রেপাটরিকে ধন্যবাদ এ নাটক মঞ্চে আনার জন্য।

হাসান শাহরিয়ার শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছেন আর প্রাচ্যনাটের আবুল কালাম আজাদ এ নাট্যরূপের নির্দেশনা দিয়েছেন। আজাদ রোমান্টিক রবীন্দ্রনাথের রাজা নাটককে যেভাবে চলতি বিষয়-আশয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সাহসী উপস্থাপন করেছিলেন, এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটাননি। আর এ নাটকে ভিজ্যুয়াল মিডিয়া ব্যবহার করা হয়েছে চলন্ত ট্রেন, স্টেশনের অনুভূতি তৈরি করার জন্য। এর আগেও ঢাকার কয়েকটা নাটকে ভিজ্যুয়াল মিডিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার দাপট মঞ্চেও হাজির তবে এক্ষেত্রে আরো কাজ করার সুযোগ আছে মনে হয়। এ নাটকে ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার মঞ্চ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। দর্শক এবং মঞ্চের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করেই। আর মঞ্চ পরিকল্পনাও বেশ মানানসই হয়েছে।

শাইলকের বাণিজ্য বিস্তার উপন্যাস আর ‘শাইলক অ্যান্ড সিকোফ্যান্টস’ নাটক দুই ফর্ম। এই উপন্যাসও নাটকের তূল্যমূল্য বিচার কঠিন। আর প্রায়ই তা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। সত্যজিৎ যখন রবিঠাকুরের গল্প-উপন্যাস নিয়ে সিনেমা করা শুরু করলেন সমালোচক রুদ্রপ্রসাদ সেন সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার সমালোচনা করতেন। একবার সত্যজিৎ বিরক্ত হয়ে সমালোচককে প্রতি উত্তর দিতে গিয়ে লিখলেন – ‘ওই আবার, আমার পেছনে আবার লেগেছে রুদ্রপ্রসাদ’। অর্থাৎ ঝগড়াটা ব্যক্তিতে পৌঁছাল। তবে এও ঠিক, দর্শক হিসেবে ঢোকার আগেই যেহেতু উপন্যাসটা পড়েছিলাম সেটা তো মাথায় ছিলই। তাই চাই বা না চাই তুলনা চলে আসে আপনাআপনিই। আর তা ছাড়া দুই মাধ্যমেও সফল কাজ সম্ভব। যেমন ম্যাকসিম গোর্কির ‘মাদার’ উপন্যাস অবলম্বনে পুদভকিন যখন ‘মাদার’ সিনেমা বানালেন তার সফলতা তো ঈর্ষণীয়। যদিও পুদভকিন বেশকিছু পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু কখনোই তা মূল ভাবকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি। আবার উল্টোদিকে ঋত্বিক কুমার ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’-এর তুলনায় অনেক বেশি একরৈখিক। যাই হোক, এখানে দুয়েকটি প্রসঙ্গে উপন্যাস এবং নাটকের তুলনায় যাব – তবে তা মোটা দাগে। তা ছাড়া দুটি কাজের প্রতি আমার ব্যক্তিগত পক্ষপাত রয়েছে। পুঁজির অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতা আর ব্যক্তির অসহায় আত্মসমর্পণের আখ্যান ফিরদাউসের উপন্যাস – এই ক্ষমতা এবং ক্ষমতাহীনের গল্প।

খুবই চমকপ্রদভাবে ক্ষীণকায় উপন্যাসের গল্প শুরু হয়। ট্রেনে আচমকা গোবেচারা সিকান্দারের সঙ্গে শাইলকের পরিচয় হয়। শেকসপিয়রের শাইলক নিজ নামেই এ উপন্যাসে নাজিল হন। তবে তফাৎ আছে মার্চেন্ট অব ভেনিসের শাইলক ইহুদি ছিল, কিন্তু এ শাইলকের ধর্মীয় পরিচয় ব্যবসা – মুনাফাই তার ঈশ্বর। আর মুনাফার আকাঙ্ক্ষার জন্যই পৃথিবীকে গড়েপিটে নিজের ছাঁচে ঢেলে নিতে প্রস্তুত। আর সে সিকান্দারের অতীত কিনে নিতে চায়? সিকান্দার ভেবেই পায় না অতীতের মূল্য কি? অতীত পণ্য হয়ে ওঠে কীভাবে? পুঁজি যে সবকিছুকে পণ্য বানায়, সঙ্গে সঙ্গে নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠীর অতীত ইতিহাসের ওপর দখলিস্বত্ব কায়েম করে – তা কি আর সিকান্দার বোঝে? অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দের বিনিময়ে সে অতীত বিক্রি করে দেয় – ভাবে খুব জিতে গেছি।  আত্মসচেতনতার অভাবই তাকে প্ররোচিত করে অতীত বিক্রি করতে। এই অতীত বিক্রি করা তার ছোট্ট ছেলে পর্যন্ত মেনে নিতে পারে না। তার ভালো মানুষ বাবা তো আত্মহত্যাই করেন, সুরাইয়াও তাকে দালাল বলে ধিক্কার দেয়। নিঃসঙ্গ পতিত পুরুষ সিকান্দার যখন সামান্য বিদ্রোহের হুমকি দেয় তখন আন্তোনিও (শাইলকের দেওয়া গার্ড) বলে :

আন্তো : আপনার বিদ্রোহ, ক্রোধ, অভিমান, ক্ষোভ, যন্ত্রণা, বিপ্লব – সবই বিক্রি হয়ে গেছে।

সিকান্দার : যদি আমি আত্মহত্যা করি।

আন্তো : কোনো দালাল কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

সিকান্দার : এখন আমি কী করি?

আন্তো : খাবি খান।

এভাবে উপন্যাস শেষ হয়। নাটকেও চমৎকারভাবে আচমকা এক বাস্তবতা নির্মাণ করা হয়। ভিডিও ফুটেজের কার্যকর ব্যবহারে এবং আলোকসজ্জার জন্য চলন্ত ট্রেনের অনুভূতি পাওয়া যায়। শাইলক এবং সিকান্দার আবির্ভূত হয়। তবে উপন্যাসে শাইলক যে দন্ডমুন্ডের কর্তা হিসেবে হাজির – নাটকে তা ঘটেনি। হয়তো শাইলকের সংলাপ এবং অ্যাকশন শাইলক তার অধীনস্থদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়াতে এরকমটা হয়েছে। হয়তো এই অ্যাকশন ভাগ করে দেওয়াতে মঞ্চে ছুটোছুটি বেড়েছে। কিন্তু শাইলকের মধ্যদিয়ে ক্ষমতায় যে নিঃসঙ্গ অথচ দাম্ভিক চরিত্র উপন্যাসে ফুটে উঠেছে নাটকে তা বেশ ব্যাহত হয়েছে। একটি উদাহরণ দেই, শাইলক যখন অতীতের দাম জানতে চায় তখন সে নিজেই উঠে গিয়ে আন্তোনিওর সঙ্গে হিসাব করে তারপর দাম বলে। আর উপন্যাসে সে কথা বলে দোর্দন্ড প্রতাপে। অল্প সময়ের মধ্যে সে সিকান্দারের প্রভু হয়ে ওঠে। সে শুধু কোটি টাকার চুক্তির জন্যও নয়, মানসিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমেও। তাই শাইলককে নাটকে বড়জোর করপোরেট ম্যানেজার লাগছিল। আবার সিকান্দার চরিত্রটি যে বহুস্তরীয় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় নাটকের সিকান্দার বড় একরৈখিক। নাটক শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যে সিকান্দারের যে চৈতন্যের টের পাই সেই চেতনা নিয়ে পুরো নাটক পার করে দেয়। সে চরিত্রের বিকাশ বৃদ্ধি ক্ষয় লয় কিছুই ঘটে না। সুরাইয়া চরিত্রের ক্ষেত্রে একই ব্যাপার দেখি। উপন্যাসে সুরাইয়া অনেক বেশি জীবন্ত। তার কামনা-বাসনা, দোদুল্যমানতা, পরিবারের প্রতি টান তাকে যেমন জীবন্ত করেছে কিন্তু নাটকের সুরাইয়া সুযোগ পাওয়ামাত্রই নিজের এতদিনকার কামনা-বাসনাকে চরিতার্থ করার পেছনে ছুটল। চরিত্র হিসাবে তার আর উত্থান ঘটল না। আর যার উত্থান নাই তার পতনও নাই – এত সহজ হিসাব। এমনকি সে একবারের জন্যও আত্মগ্লানিতে পড়ে না। এটা কি নাটকে যে বাস্তবতা তুলে ধরেছেন সে বাস্তবতার দাবি পূরণ করার জন্যই নাট্যকার এ রকম করেছেন? চরিত্রগুলো রক্তশূন্যতায় ভোগার মাজেজা কি? শাইলক অ্যান্ড সিকোফ্যান্টস যে বাস্তবতা উপস্থাপনের মাধ্যমে শেষ হয় সে বাস্তবতার উপাদানের দিকে একটু চোখ ফেরানো যাক। ভারত-বাংলার ঔপন্যাসিকের উপন্যাসকে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আনতে গিয়ে তেল-গ্যাস নিয়ে ক্ষমতাসীনদের রাজনীতিকে কটাক্ষ করা, একই সঙ্গে ‘বদলে যাও বদলে দাও’, ‘ছোঁবেন নাকি আকাশটাকে’ – এ রকম সংলাপ ব্যবহার করে মধ্যবিত্ত কামনা-বাসনার জগৎকে উপস্থাপন করা হয়েছে। মোদ্দাকথা, টিভি (মঞ্চসজ্জাই এমনভাবে করা হয়েছে যেন বোকা বাক্সটাই চোখের সামনে ভেসে উঠেছে)। মোবাইল কোম্পানি, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমাদের সামনে যে কল্প বাস্তবতা তুলে ধরে সে বাস্তবতাই শ্লেষের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। টিভির বিজ্ঞাপন, মাল্টি করপোরেট কালচার ও সেলফোন যে পিচ্ছিল বাস্তবতা তৈরি করছে – তাকে মোকাবিলা করার ধরনের অভাবই চরিত্রগুলোর বিকাশ রুদ্ধ হওয়ার কারণ। এই বাস্তবতা উপস্থাপনের কৃতিত্ব অবশ্যই নাট্যকার এবং তার দলের। এই বাস্তবতার মধ্যে আটকে থাকে পিচ্ছিল বাস্তবতার পিচ্ছিল উপস্থাপন, যার কারণে নাটকে ‘ঈশ্বরের স্বর’-এর খুব দরকার হয়ে পড়ে। কারণ মঞ্চের সিকান্দার সুরাইয়া পরাজিত, কে থাকল তার – ওই ঈশ্বরের স্বর ছাড়া। সিকান্দারের বাপ এই পুলিশের গুলিতে নিহত ঈশ্বরের স্বরের দায়িত্ব পালন করেন। ঠিক যে উপন্যাসে কিন্তু কোনো ঈশ্বরের স্বরের আমদানি নাই। উপন্যাসে সিকান্দারের বাপ আত্মহত্যা করেন। সিকান্দারের ছেলে নিখোঁজ হয় আর সিকান্দার তার পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করে এবং তা পাঠকের মধ্যে সঞ্চারিত হয় এবং সে নিজের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। সিকান্দারের বাপ যখন ছেলের সঙ্গে কথা বলে যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তি দেয়। খুবই সাধারণ যুক্তি কিন্তু কার্যকর। শাহজাদ ফিরদাউস যে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গল্প শুরু করেন, আগান, তার সূচিসুখ কখনো পাল্টান নাই (উপন্যাস ব্যক্তির কখন তা থেকে) কিন্তু নাট্যকার ব্যক্তির কথন বাদ রেখে স্থানিক চরিত্র (বাংলাদেশের বাস্তবতা) ধরতে যান। চমৎকার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু নাট্যকার সেই স্থানিক চরিত্রের উপরিতলেই বিরাজ করেন – গলি-ঘুপচিতে আর হানা দেন না। এটাই আমার বড় আপত্তির জায়গা।

তাই কোনো গড ভয়েস ছাড়াই উপন্যাস শেষ হয় – কিন্তু গড ভয়েস হয়ে দাঁড়ায় নাট্যকারের শেষ ভরসা।

কিন্তু তারপরও নাট্যকার কলাকুশলী সবাইকে ধন্যবাদ দেন এ রকম একটি দুর্দান্ত নাটক উপহার দেওয়ার জন্য। সবার অণিয় যেমন সাবলীল হয়েছে তেমনি মিউজিকও হৃদয়গ্রাহী হয়েছে। কিন্তু এটাও সত্য, ঢাকার মঞ্চে বুশকে ব্যঙ্গ করে নাটক করা খুবই সহজ। ওটা নিরাপদ টার্গেট, এর জন্য নিজের কোনো ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিতে হয় না। কিন্তু মাল্টি করপোরেট কালচারের বিরোধিতা করে নাটক করা খুবই কঠিন। সেই কঠিন কাজটা করার আন্তরিক চেষ্টা করেছেন থিয়েটারওয়ালা রেপাটরি। তার জন্য তাদের সালাম জানাই।

hasan-zafrul-bipul1
হাসান জাফরুল বিপুল

গল্পকার ও চলচ্চিত্রকর্মী। ফটোক্লিক : অচিন পাঠ্য । প্রকাশিত গ্রন্থ : ইউনুস আখ্যানপর্বে স্বপ্নদোষ। শর্টফিল্ম : জুলহাস চেকার।

বিভাগ

কবিতা

error: Content is protected !!
We use cookies to personalise content and ads, to provide social media features and to analyse our traffic. We also share information about your use of our site with our social media, advertising and analytics partners. View more
Cookies settings
Accept
Privacy & Cookie policy
Privacy & Cookies policy
Cookie name Active

🍪 We Use Cookies

Our website uses cookies to improve your experience. They help us remember your preferences and analyze traffic. Some cookies are essential, while others help us optimize content. By continuing to browse, you agree to our use of cookies. You can manage cookie settings in your browser.

Save settings
Cookies settings
Scroll to Top