ভাবনাগুলো যখন নিরাকার : আসাদ জামানের স্কেচ
ভাবনাগুলো যখন নিরাকার :
বরাবরই আমি কবিতার লোক! আর্টিস্ট নই। তবু কবিতা লেখার প্রস্ততি হিসেবে ভাবনাগুলো যখন ছেঁড়া ছেঁড়া —একে অন্যের থেকে বিকর্ষণমূখী তখন আনমনে বলপেন কিংবা পেন্সিল ঘষতে ঘষতে আঁকা হয়ে যায় কিছু কথা। কবিতা ভাবতে ভাবতে কখনো কখনো কবিতার খাতায়ই আলগোছে হয়ে ওঠে কিছু স্কেচ। কোন বিষয়বস্তুকে রিমার্ক করে নয়, অন্তর্নিহিত ভাবটাই বস্তুনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। হয়তো হয়ে ওঠে। কখনো কখনো বিষয়বস্তুকে সামনে রেখে এগুতে চাই। প্রকৃতির কোন অনুষঙ্গ ভাঙা গাছের গুঁড়ি —হয়ে ওঠে মানুষ কিংবা মানুষীর। সেই মানুষ বা মানুষীদের বুঝে ওঠার জন্য আগ্রহবশত নিকটবর্তী হয় কোন কীট বা পতঙ্গ, কিংবা মানুষই আগ্রহবোধ করে অন্য কীট পতঙ্গের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে। তখন হয়তো মানুষের হাত-পা গুলোই হয়ে ওঠে ধারালো অস্ত্র। মানুষ যুদ্ধ ভালোবাসে, কাটতে কাটতে উপরে উঠতে চায়। অঙ্গহানির পর সেকেণ্ডারি অঙ্গ হয়ে ওঠে অস্ত্র ধারণের বাহন। তবু সে যুদ্ধের জন্য সংঘবদ্ধতা চায়। সমস্ত বিশ্ব-প্রকৃতি থেকে যে শক্তি ধারণ করতে চায়, সেই শক্তিকেই ধবংস করারই স্ববিরোধে মেতে ওঠে, শংকিত করে তোলে অন্যদের বসবাস। এমনই কত কী ভাবনা ওঠে, কিংবা অবচেতনে ঐসব আকার বিষয়বস্তুতে স্থান করে নেয়!
এই ওস্তাদবিহীন, বেসিকবিহীন আঁকাবুকির কবে শুরু তা সুনির্দিষ্ট করে বলা কষ্টকর। বোধ -বিকাশের কাল থেকে সুন্দরকে ভালোবাসার মধ্যদিয়ে হয়তো ভেতর-ভেতর এর প্রস্তুতি ছিলো। অন্য ছবির বেলায় যা তেমন ঘটে না, শুধু আমার স্কেচগুলোই অবচেতনে রূপলাভ করে। কখন কবে কোথায় তা আঁকা হয়েছে তাও মনে থাকেনা। তবু তো হয়ে ওঠে অসংলগ্নতার কিছু সংলগ্ন প্রতিরূপ।

কবি। ফটোক্লিক : কেকা
শাইলক কথা অমৃত সমান! – হাসান জাফরুল
রয়া ও নন্দিনী – নাদিয়া ইসলাম
বমি বিকার অথবা অকাল স্খলন – অমল আকাশ
ফাঁকি – আল-বিরুনী প্রমিথ







